নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ঢাকা-৮) : রাজধানীর অন্যতম আলোচিত আসন ঢাকা-৮ এ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। জমজমাট প্রচারণার পর প্রায় পাঁচ হাজার ভোটে পরাজিত হন তিনি।
সারজিস আলম (পঞ্চগড়-১) : ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে লড়েন। ধানের শীষ প্রতীকে ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। সারজিস আলম পান ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ফল ঘোষণার পর তিনি বিজয়ীকে অভিনন্দন জানান।
তাসনীম জারা (ঢাকা-৯) : এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনীম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে অংশ নেন। তবে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমানের কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে তৃতীয় অবস্থানে থাকেন।
মামুনুল হক (ঢাকা-১৩) : ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির ববি হাজ্জাজের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের নেতা মামুনুল হক। ২ হাজার ৩২০ ভোটে পরাজিত হওয়ার পর ফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তোলেন তিনি।
আমিনুল হক (ঢাকা-১৬) : ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করা আমিনুল হক রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে যান।
মিয়া গোলাম পরওয়ার (খুলনা-৫) : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে ২ হাজার ৭০২ ভোটে পরাজিত হন।
মোহাম্মদ শিশির মনির : জামায়াত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে জয়ের প্রত্যাশা ছিল বেশি। তবে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরীর কাছে বড় ব্যবধানে হারেন তিনি।
হামিদুর রহমান আজাদ (কক্সবাজার-২) : জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ কক্সবাজার-২ আসনে ৩৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
জিএম কাদের (রংপুর-৩) : লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করা গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) রংপুর-৩ আসনে তৃতীয় অবস্থানে থাকেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না (বগুড়া-২) : নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনে প্রত্যাশিত ফল পাননি। মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারান তিনি।