৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুফতি আবুল হাসানের ১৩ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা

সিলেট-৫, আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১১দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী দেওয়াল ঘড়ির প্রতিনিধি মুফতী মোহাম্মদ আবুল হাসানের ১৩ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল (৭ ফেব্রুয়ারি) ‘বিভেদ নয়-ঐক্য; কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, যার অভিভাবক নেই, রাষ্ট্রই তার অভিভাবক’ স্লোগান নিয়ে ১৩ দফার এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

১৩ দফার ইশতেহার হলো :

০১. জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান এবং এর আলোকে আগামীর রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আমরা একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফ ও কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করছি।

০২. দক্ষ, জবাবদিহিমূলক, গণমূখী ও দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন

(ক) নাগরিক সেবা কেন্দ্র: সংসদ সদস্যের কার্যালয় হবে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মক্ত (২৪/৭) একটি সেবা কেন্দ্র।

(খ) হ্যালো এমপি হটলাইন: এলাকার যে কোনো জরুরি সমস্যায় (নিরাপত্তা বা আইনি সহায়তা) সরাসরি যোগাযোগের জন্য একটি হটলাইন ও রেসপন্স টিম থাকবে।

(গ) স্বচ্ছ বাজেট: সংসদ সদস্যের উন্নয়ন তহবিল ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রতিটি টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে, তা একটি অনলইন পাবলিক পোর্টালে প্রকাশ করা হবে। প্রতি ৩ মাস অন্তর জনগণের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহী ও সরাসরি প্রশ্নোত্তরের ব্যবস্থা করা হবে।

(ঘ) প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

৩. বন্যা, নদী ভাঙ্গন ও জলাবদ্ধতা নিরসন

(ক) ঘন ঘন বন্যা হতে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটকে রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। আপার সুরমা-কুশিয়ারা প্রকল্প এবং সীমান্ত নদী রক্ষা প্রকল্পের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন ও বন্যার অভিশাপ থেকে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটকে স্থায়ী নিষ্কৃতির ব্যবস্থা করা হবে।

(খ) স্যানিটেশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদী মাস্টারপ্লান গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

(গ) অভ্যন্তরীণ নদী ও খালসমূহ খনন করে পানির প্রবাহ সৃষ্টির মধ্যমে হাওর ও বিল সমূহের উর্বরাশক্তি বর্ধন এবং ফসলী জমির উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে।

৪. যাতায়াত ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন

(ক) বুরহান উদ্দিন রোড ও শেওলা-জকিগঞ্জ রোডের আশু সংস্কার এবং সড়ক দু’টিকে আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপান্তর করা হবে।

(খ) শাহবাগ-দরবস্ত রোড সংস্কার ও প্রশস্তকরণের বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

(গ) সুরমা নদীর ওপর প্রস্তাবিত আটগ্রাম-কাড়াবাল্লা সেতু বাস্তবায়ন করা হবে।

(ঘ) দু’টি পৌর শহর ও গ্রাম সমূহের অভ্যন্তরীণ ভঙ্গুর রাস্তাসমূহের সংস্কার করা হবে।

(ঙ) গাছবাড়ী-হরিপুর রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হবে।

(চ) গাছবাড়ী-চতুল রাস্তার পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।

(ছ) জকিগঞ্জ-কালিগঞ্জ রোড, বাবুর বাজার-কালিগঞ্জ রোড সংস্কার ও প্রশস্ত করে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ সহজ করা হবে।

(জ) মন্তাজগঞ্জ বাজার ও শাহগলী বাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর ওপর আরো ২ টি সেতু নির্মাণের মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে জোর দেয়া হবে।

(ঝ) জকিগঞ্জের মইয়াখালী থেকে শাহগলী পর্যন্ত রোড প্রশস্ত করে বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার যোগাযোগ সহজ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে এই রোড বোরহান উদ্দিন রোডের সাথে সংযুক্ত করার মেগা প্রকল্প হাতে নেয়া হবে।

(ঞ) ২টি পৌরসভা সহ সকল ইউনিয়নের রাস্তার মৌলিক সংস্কার করা হবে।

৫. শোষণ ও দারিদ্রমুক্ত জকিগঞ্জ-কানাইঘাট

(ক) দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের ব্যবস্থা করা হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সূদমূক্ত ঋণ প্রাপ্তি সহজতর করা হবে। এ লক্ষ্যে বিত্তবানদের যাকাত ও অনুদান সংগ্রহের মাধ্যমে বিশেষ তহবিল গঠন করে এতিম, অসহায়, বস্তিবাসী, বঞ্চিত, দরিদ্র ও দুঃস্থ নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও প্রতিবন্ধী মানুষের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করবে প্রশাসন।

(খ) নারী ও শিশু নির্যাতন এবং শিশুশ্রম বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হবে।

(গ) গরীব, ইয়াতীম, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও দু:স্থ মানুষ এবং বিধবা ও তালাকপ্রাপ্তা নারীদের জন্য সরকারের গৃহীত বিভিন্ন ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বৃদ্ধি করা হবে।

৬. শিল্প ও বাণিজ্য

(ক) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানা স্থাপন করে বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। তাদের জন্য বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করা হবে।

(খ) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে লোভাছড়ার বালু ও পাথর উত্তোলন করে তা বাজারজাত করা হবে। এক্ষেত্রে সকল প্রকার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির পথ রুদ্ধ করা হবে।

(গ) জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের বাঁশ এবং বেত শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করে কুটির শিল্পকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।

(ঘ) প্রবাসীদেরকে দেশে উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান এবং তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা বিধান করা হবে।

(ঙ) জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সুপারির ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয়ভাবে আড়ৎদারি ব্যবসায় উৎসাহ প্রদান করা হবে।

৭. পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত জকিগঞ্জ-কানাইঘাট

(ক) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়সমূহের সাথে সমন্বয় করে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটকে মশা, আবর্জনা, শব্দ ও বায়ুদূষণ মুক্ত করার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

(খ) জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের কাঁচাবাজারগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে একটি নির্দিষ্ট আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে ‘মডেল বাজার’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দু’টি পৌর শহরকে বর্তমান সি’ ক্যাটাগরি থেকে এ’ ক্যাটাগরির শহরে পরিণত করা হবে।

৮. নিরাপত্তা

(ক) চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থানগুলো সি.সি. ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।

(খ) মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(গ) সামাজিক বিরোধ মিমাংসায় ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিবর্গের শালিস প্রথাকে উৎসাহিত করা হবে।

(ঘ) নিরপরাধ মানুষকে হয়রানী, জুলুম, নির্যাতন এবং পেশিশক্তির দাপট নির্মূল করা হবে।

৯. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ

(ক) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সহায়তায় জকিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড ও আটগ্রাম তৈলক্ষেত্রে উৎপাদন শুরু এবং তা স্থানীয় চাহিদা পুরণের পর জাতীয় গ্রীডে সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হবে।

(খ) গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবত আবাসিক গ্যাস সংকটের বিষয়টিকে সর্বাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে তা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গ্যাস স্থানীয় চাহিদা পুরণ করে জাতীয় গ্রীডে সরবরাহের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

(গ) দু’টি পৌর এলাকায় সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১০. তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি

(ক) জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট কলেজে অনার্স কোর্স চালু সহ প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পিছিয়ে পড়া এই এলাকার তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিতে একাধিক টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ নেয়া হবে।

(খ) আলিয়া ও কওমী মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের অবকাঠামো ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করা হবে এবং কওমী মাদরাসার সনদকে আরো অর্থবহ ও কার্যকর করতে সংসদে বিল উত্তাপন করা হবে।

(গ) শিক্ষার মানোন্নয়ন: সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার মান নিশ্চিতে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা এবং শিক্ষকদের ট্রেইনিং সহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক ও উদ্ভাবনী শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হবে।

(ঘ) নারী শিক্ষা: নারী শিক্ষার বিস্তার ও উৎসাহ প্রদানে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে।

(ঙ) লোভাছড়া, মুলাগুল, আমলসীদ এই ৩ নদীর মোহনা ও জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটকে সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হবে।

(চ) শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলা ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে বিশেষ অনুদান প্রদান করা হবে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহকে রাজনীতিমুক্ত করে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।

(ছ) সাহিত্য-সংস্কৃতি ও কৃষ্টি চর্চা এবং বিকাশের উদ্যোগকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।

(জ) ২ উপজেলায় ২ টি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা এবং সামাজিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্যোগকে সহায়তা করা হবে।

(ঝ) ইন্টারনেট ও ডিজিটাল সেবা: হাই-স্পিড ইন্টারনেট নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, ই-গভর্ন্যান্স সেবা সম্প্রসারণ। দু’টি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উচ্চগতির ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন তৈরি করা করা হবে।

(ঞ) মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষা অবারিত করার জন্য মসজিদ ভিত্তিক সবাহী মক্তব শিক্ষাকে উৎসাহিত করা হবে।

১১. স্বাস্থ্য

(ক) জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের ২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা হাসপাতালরূপে বাস্তবায়ন, শূন্যপদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং কর্মস্থলে তাদের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এসব হাসপাতাল ও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহ করা হবে।

(খ) দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা কার্যক্রম ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য হেলথ্ কার্ড চালু করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে চলমান সেবাগুলোর মানোন্নয়ন এবং অভিজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সের সমন্বয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ক্লিনিক ও মাতৃসদন চালু করা হবে।

১২. মিডিয়া বান্ধব ও তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণ

(ক) সকল প্রকার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সাংবাদিক এবং মিডিয়ার জন্য তথ্য অধিকার আইন ও বিধি অনুযায়ী সকল তথ্য পাওয়ার অধিকার ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

(খ) সকল প্রকার বরাদ্দ ও বণ্টনের তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

১৩. ধর্মীয় সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা

(ক) আবহমানকাল থেকে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বসবাস। আন্তঃ ধর্মীয় সম্প্রীতি এই এলাকার ঐতিহ্য। যে কোন মূল্যে এই ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর ।

(খ) ঐতিহাসিক স্থান ও ধর্মীয় স্থাপনাসমূহ সংরক্ষনের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে এবং এই লক্ষ্যে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

(গ) শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণে হয়রানী ও উস্কানিমূলক অপতৎপরতা প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Home R3