ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনীতির পুরোনো মুখের পাশাপাশি অনেক নতুন প্রার্থীও চমক দেখিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে অনেক প্রার্থী থাকেন, যারা নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্দিষ্ট ভোট না পাওয়ার কারণে জামানত হারান।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়। সেক্ষেত্রে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্বাচনি নিরাপত্তাজনিত যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা দেন, তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়। নির্বাচনে অংশ নিয়ে যারা পরাজিত হন, তারাও কি জামানত হারান?
এমন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, জামানত বায়েজাপ্তের বিধানের বাইরে অর্থাৎ বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেলে পরাজিত প্রার্থীরা তাদের জামানত ফেরত পান। নির্বাচিত প্রার্থীদের গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন অফিসের মাধ্যমে পরাজিত প্রার্থীরা জামানতের টাকা তুলে নিতে পারেন।
বর্তমানে সংসদীয় আসনের জন্য প্রার্থীদেরকে ২৫ হাজার টাকা, উপজেলা নির্বাচনে ১০ হাজার টাকা আর পৌরসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার হিসাবে জামানতের টাকা আগে জমা দিতে হয়। টাকা জমাদানের প্রমাণ স্বরূপ ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আলোচিত প্রার্থী এতই কম ভোট পেয়েছেন যে, তাদের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গত ৫ বারের এমপি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দীন আহম্মেদ, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফি রতন, নোয়াখালী-৬ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদের বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক সহ আরও অনেকেই।