Home » Slide » মাদারগঞ্জে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন

মাদারগঞ্জে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন


খাদেমুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি:
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমানকে মারধর করার অভিযোগ ওঠেছে কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন সাইদুর রহমান। মামলার এজাহার ও ইউএনও’র বরাবরে শিক্ষকদের স্মারকলিপি থেকে জানা গেছে, মির্জা আজম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক বেলাল হোসেন মোসলেমাবাদ আইগেনীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী। তিনি নিজের একটি প্রস্তাবিত কমিটি অনুমোদনের জন্য সহকারী শিক্ষা অফিসার সাইদুর রহমানের অফিসার্স কোর্য়াটারে যান। প্রস্তাবিত কমিটির অনুমোদনের জন্য অনৈতিক ভাবে চাপ প্রয়োগ করে। সাইদুর রহমান সরকারী বিধিমোতাবেক যাচাই বাচাই করে উপজেলা শিক্ষা কমিটিতে প্রেরণ করার কথা বললে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার দল উত্তেজিত হয়ে তার উপর শারিরীক আঘাত করে।
সাইদুর রহমান জানান, ওই কমিটি নীতিমালা বর্হিভূত হওয়ায় তিনি তাতে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় বেলাল হোসেন ও তার সাথে থাকা লোকজন তাকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে ও কিলঘুষি দেয়। মঙ্গলবার রাতে তিনি বাদি হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার আইও এসআই ফারুক জানান, সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে ওই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে মাদারগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন ও ইউএনও মোহাম্মদ আবুল মনসুর বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি হেলালুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান, সহকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক, প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন, সুলতানা রাজিয়া, শাহান শাহ, মোজাহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আব্দুল মোতালেব, রাখাল চন্দ্র সাহা, রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে ইউএনও মোহাম্মদ আবুল মনসুর বলেন, এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে । অপরাধীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের নিশ্চয়তা দেন।

 

 

 

বাংলার কথা/শাকিল আহমেদ