Home » Slide » গাইবান্ধায় প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

গাইবান্ধায় প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ


স্টাফ করসপনডেন্ট, গাইবান্ধা
প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ও অমিকন গ্রুপের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ১০০ জনের প্রত্যেককে একটি করে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া প্যারীমাধব বহুমুখী ইনস্টিটিউশন মাঠে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া, মধ্য হাটবামুনী, উত্তর হাটবামুনী, দক্ষিণ হাটবামুনী, পূর্ব কেশালীডাঙ্গা, পশ্চিম কেশালীডাঙ্গা, কিশামত বাগচী, নুরপুর, লক্ষ্মীপুর ও হিয়ালী গ্রামের গরীব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল দেওয়া হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন কামারপাড়া প্যারীমাধব বহুমুখী ইনস্টিটিউশনের সহকারি শিক্ষক মো. তারিকুল ইসলাম বঙ্কু, কামারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাহিদুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক সোহেল রানা, পল্লী চিকিৎসক মো. সিজু মিয়া, সমাজসেবক সাইদুল ইসলাম, মো. নুরুজ্জামান মিয়া, কাজী ইশতিয়াক সুমিত, মীর বকস, সাইদুর রহমান ও ইদ্রিস আলী, কামারপাড়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মিয়া ও মোত্তাল্লেব হোসেন খান, গাইবান্ধা প্রথম আলো বন্ধুসভার সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা পাপুল, বর্তমান সহ-সভাপতি আলমগীর কবির, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত হোসাইন ও ওবায়দুল ইসলাম, অনুষ্ঠান সম্পাদক লিমন প্রধান প্রান্ত, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সদস্য সোহেল রানা, ফেরদৌস আলম, রেজাউল করিম, হাসান ইমাম ও প্রথম আলোর গাইবান্ধা প্রতিনিধি শাহাবুল শাহীন প্রমুখ।


কম্বল পেয়ে মধ্য হাটবামুনী গ্রামের হাকিম উদ্দিন (৯৫) বলেন, না খ্যায়্যা এ্যাক বেলা থাকান যায়। কিন্তু শীতের কসটে রাইতে ঘুম ধরেনা। তোমার ঘরে কম্বলকোনা প্যায়্যা ভালো হলো। পশ্চিম কেশালীডাঙ্গা গ্রামের আফরোজা বেগম (৫০) বলেন, এবারক্যা শীতোত এ্যাকনা কম্বলের জন্যে চেয়ারম্যানের বাড়ীত ম্যালাদিন গেছিনু। তাই হামাক কম্বল দেয় নাই। তোমারঘরে পোত্তম আলোর কম্বল প্যায়া উপোকার হলো বাবা। পূর্ব কেশালীডাঙ্গা গ্রামের দিপীকা রানী (৫১) বলেন, তিন বছর থাকি কোন সরকারি কম্বল পাই নাই। আচক্যা তোমার ঘরে পোত্তম আলোর কম্বল পানো। ছোট নাতিটা শীতের কসটে ঘুম পারব্যার পায়না। অ্যাচকা রাতোত নাতিটাক নিয়্যা আরাম করি ঘুম পারব্যার পামো। উত্তর হাটবামুনী গ্রামের কাঞ্চী বালা (৪৮) বলেন, দুকন্যা খ্যাতা (কাঁথা) দিয়া রাত কাটাই। সন্ধ্যাত থাকি আগুন জ্বলে থাকি। সোয়ামিক কোছিলাম একটা কম্বল আনার জন্যে। কিন্তু কিনি আনব্যার পায় নাই। তোমরা হামাক কম্বল দিবার আচ্চেন, আল্লায় তোমার ঘরে আলোর ভালো করুক। কামারপাড়া প্যারীমাধব বহুমুখী ইনস্টিটিউশনের সহকারি শিক্ষক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, আমরা জানি সংবাদপত্রের কাজ খবর পরিবেশন করা। কিন্তু প্রথম আলো নিজের দায়িত্বের বাইরে মানবিক কাজগুলোও করছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। সব পত্রিকারই এই কাজে এগিয়ে আসা উচিত।