৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুসলেহ উদ্দীন রাজুর সমর্থনে মুখরিত সিলেট-৩

সিলেট-৩ আসনের নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছেন রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন রাজু। ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত রাজুর পক্ষে এবার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের প্রতিটি জনপদে এখন রিকশা প্রতীকের জয়জয়কার।

নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে মুসলেহ উদ্দীন রাজুর প্রতিটি পথসভা ও গণসংযোগ এখন বিশাল সমাবেশে পরিণত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং রিকশা প্রতীকের মিছিলে প্রকম্পিত হচ্ছে রাজপথ। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ এবং মধ্যবিত্ত ভোটারদের মধ্যে রাজুর জনপ্রিয়তা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, সাধারণ মানুষের সাথে রাজুর বোঝাপড়াই তাকে এই দৌড়ে এগিয়ে রাখছে।

সাম্প্রতিক নির্বাচনি জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, সিলেট-৩ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও জনসমর্থনে মুসলেহ উদ্দীন রাজু অনেকটা এগিয়ে আছেন। এর পেছনে কাজ করছে তার ব্যক্তিগত ইমেজ। রাজুর বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতি বা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই।

এছাড়া তার সৃজনশীল পরিকল্পনাও সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করছে। এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থান এবং কুশিয়ারা পাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

মুসলেহ উদ্দীন রাজু বলছেন, ‘আমি কোনো বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়ে আপনাদের ধোঁকা দিতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই, আমি আপনাদের সন্তান। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে আমাকে ঢাকা নয়, বরং সবসময় এলাকার মানুষের পাশেই পাবেন। কুশিয়ারা পাড়ের মানুষের অধিকার আদায়ে আমি রাজপথ থেকে সংসদ—সবখানেই সোচ্চার থাকব।’

সিলেট-৩ আসনের নির্বাচনি মাঠ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোটাররা এখন নতুন এবং বিশ্বস্ত মুখ খুঁজছেন। রাজুর রিকশা প্রতীক সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শরিক দলগুলোর সমর্থন এবং সাধারণ জনতার ভালোবাসায় রাজু এখন এক শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী।

ভোটারদের দাবি, এবারের নির্বাচন কেবল প্রতীক রক্ষার নয়, বরং নিজেদের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার নির্বাচন। আর সেই লক্ষ্যে রিকশা প্রতীকই তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে।