৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সিলেট-৫ আসন : জনপ্রিয়তায় এগিয়ে দেওয়াল ঘড়ি

সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে প্রার্থীরা যখন ব্যস্ত সময় পার করছেন, তখন বেশ নির্ভার সময় পার করছেন মুফতি আবুল হাসান। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের এই প্রার্থীর প্রতিটি পথসভা ও জনসভা সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে যেন বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হচ্ছে।

গত কয়েকদিনের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকগুলোতে দেখা গেছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষ দলে দলে ছুটে আসছেন মুফতি আবুল হাসানের কথা শুনতে। বিশেষ করে বাজারকেন্দ্রিক পথসভাগুলোতে মানুষের উপস্থিতি এতই বেশি থাকছে যে, অনেক ক্ষেত্রে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে, সিলেট-৫ আসনে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের পক্ষে একটি নীরব বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন জরিপ বলছে, ভোটারদের পছন্দের তালিকায় মুফতি আবুল হাসান এখন সবার শীর্ষে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী। তারা মনে করছেন, এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য একজন আলেম, শিক্ষিত, সজ্জন ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতার কোনো বিকল্প নেই।

মুফতি আবুল হাসান তাঁর বক্তব্যে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, নদী ভাঙন রোধ এবং রাস্তাঘাটের আধুনিকায়নের মতো বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নের রোডম্যাপ তুলে ধরছেন। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলছেন, ‘আমি ভোটের জন্য আপনাদের কাছে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি। আমি আপনাদের মাঝেই বড় হয়েছি, আপনাদের দুঃখ বুঝি। নির্বাচিত হলে আমি রাজধানীমুখী না হয়ে আপনাদের সেবায় এলাকাতেই অবস্থান করব।’

১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের শরিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের সক্রিয় অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের অভাবনীয় আগ্রহে কানাইঘাট-জকিগঞ্জের প্রতিটি অলিগলি এখন দেওয়াল ঘড়ির স্লোগানে মুখরিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের এই ধারাবাহিক আগ্রহ ভোট পর্যন্ত বজায় থাকলে সিলেট-৫ আসনের ফলাফল চমকপ্রদ হতে পারে।

নির্বাচনের দিন যত কাছে আসছে, মুফতি আবুল হাসানের জনপ্রিয়তা ততই বাড়ছে। এখন কেবল ব্যালটের মাধ্যমে এই জনসমর্থনের চূড়ান্ত প্রতিফলন দেখার অপেক্ষায় এলাকাবাসী।