খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভায় নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, রাজধানীতে একজন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করে খুনীরা প্রকাশ্য পালিয়ে গেলেও এখনো তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারী ও মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতার করতে পারেনি সরকার।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের উপর গোয়েন্দা নজরদারীর অভাবে সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপশক্তি মাঠে নেমেছে। ভোট গ্রহণের দিন যত ঘনিয়ে আসছে একটি বিশেষ দলের প্রতি প্রশাসনের ঝোঁক বাড়ছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতে অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল, অস্ত্র উদ্ধার ও সাঁড়াশী অভিযান জোরদার করতে হবে। খুনী ও ফ্যাসীবাদী অপশক্তির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিতে হবে। উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী নির্মূল করতে হবে। নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে চলতে প্রশাসনকে আরো কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে এবারের জাতীয় নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। যা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তি নতুন বাংলাদেশে কারো কাম্য নয়।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান, সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শায়খুল ইসলাম, খন্দকার সাহাব উদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা আহমদ বিলাল, হাজ্বী নুর হোসেন, হাফেজ নুরুল হক, কর্ণেল অব. ডা. এমদাদুল হক, আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, আমির আলী হাওলাদার, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।