৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

খেলাফত মজলিসের ৩৫ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, জুলাই সনদকে গুরুত্বারোপ

‘বিভেদ নয় ঐক্য, কল্যাণমূলক রাষ্ট্র’ এই শ্লোগানে ৩৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল খেলাফত মজলিস। এতে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান ও বিগত সরকারের গুম-খুন ও জুলাই গণহত্যার বিচার।

গণমাধ্যম ও বিচারবিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, সুদ ব্যবস্থার অবসানসহ জুলাই সনদের বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দিয়ে ৩৫ দফা ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একইসাথে শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ নিশ্চিতের বিষয়গুলো উঠে আসে দলটির ইশতেহারে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ইশতেহার পাঠ করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সায়্যিদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো: আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা ফারুক আহমদ ভুঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ফয়েজ বক্স শহীদ, কাজী আরিফুর রহমান, মাওলানা সরদার নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ।

চলমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনি পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১২ তারিখ ভোটদানের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। কালো টাকা ও পেশিশক্তির দৌরাত্ম্য বাড়ছে। কিছু ক্ষেত্রে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিঘ্নিত হচ্ছে।

বিগত কয়েক দিনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কর্তৃক খেলাফত মজলিস ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। প্রার্থীর এজেন্ট ও নির্বাচনি কর্মীদের মোবাইল ফোনে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে পরাজিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তি নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এসব ব্যাপারে আমরা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের আরো কঠোর নজরদারি প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যত্যয় যেই ঘটাবে জনগণ সেই অপশক্তিকে রুখে দিবে, ইনশাআল্লাহ।