বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির হালচাল নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর আরও কমেছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে স্বণের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তবে নিকট ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার না কমার পাশাপাশি ইরানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদাও কমেছে। খবর রয়টার্স।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ৩৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬০৪ দশমিক ২৯ ডলারে নেমে আসে। আর ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬০৮ দশমিক ৯০ ডলার হয়েছে।
ক্যাপিটাল ডটকমের বিশ্লেষক কাইল রোডা বলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা কমতেই স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী গতি দেখা গেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে তথ্য আসছে, তা দেখাচ্ছে যে সুদহার কমানোর তেমন কোনো তাড়াহুড়ো নেই।
এদিকে দেশের বাজারে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।