১ এপ্রিল, ২০২৬

নির্বাচনী গাড়িতে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় যে ব্যাখ্যা দিলেন এ্যানি

লক্ষ্মীপুর–৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারা করা হয়েছে। আজ বুধবার রাত আটটার দিকে শহরের ঝুমুর এলাকায় তল্লাশিচৌকিতে এ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এ সময় এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য এবং লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঝুমুর এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসায়। কৃষক দল নেতাসহ তিনজন একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে তাঁদের জেলা জজ আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আধঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। এরপর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে ঘটনাটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এ্যানি। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ‘বিএনপি মিডিয়া সেল’ ফেসবুক পেজ থেকে একটি ভিডিও বার্তায় এই বার্তা দেন তিনি।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশির সময় এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনা জানাজানির বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে এ্যানির একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়। ওই ভিডিও বার্তায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমি নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত আছি। শুনতে পেলাম, আমার নির্বাচনী কাজের গাড়ি চেক (তল্লাশি) করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমার নির্বাচনী এজেন্ট সেই গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সেখানে আমার যে ব্যয়, তার মধ্যে ১৫ লাখ টাকা কেন্দ্র ওয়াইজ দেওয়ার জন্য যাচ্ছিল। কর্তৃপক্ষ চেক করেছে। ইতোমধ্যে কোট তাদের রিলিজ (ছেড়ে) করে দিয়েছে। সুতরাং এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’