৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আফগানদের হেসেখেলে হারাল নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ডের সামনে ১৮৩ রানের লক্ষ্য দাড় করিয়ে রেখেছিল আফগানিস্তান। ম্যাচ জিততে হলে ইতিহাস গড়তে হবে এমন সমীকরণে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কিউইরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে কখনো জয় পায়নি নিউজিল্যান্ড। এছাড়া টুর্নামেন্টের ইতিহাসে কিউইদের বিপক্ষে এটিই সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক শুরু করে আফগান ওপেনাররা। ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান প্রথম পাঁচ ওভারে যোগ করেন ৩৫ রান।

তবে লকি ফার্গুসনের জোড়া আঘাতে দ্রুতই ম্যাচে ফেরে নিউজিল্যান্ড। জাদরান ১২ বলে ১০ এবং গুরবাজ ২২ বলে ২৭ রান করে আউট হন।

এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন গুলবাদিন নাইব। সেদিকউল্লাহ আতালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে ইনিংসে গতি ফেরান তিনি।

আতাল ২৯ রান করে ১৫তম ওভারে বিদায় নেন। পরে দারবিশ রাসুলির সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে আরও ৩৩ রান যোগ করেন নাইব।

১৮তম ওভারে রাচিন রবীন্দ্রর বলে আউট হওয়ার আগে ৩৫ বলে ৬৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন নাইব। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। পরের ওভারের প্রথম বলেই ম্যাট হেনরির শিকার হন রাসুলি (১৩ বলে ২০)।

শেষদিকে মোহাম্মদ নবী (অপরাজিত ১০) ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই (১৪) মাত্র ১১ বলে ১৮ রানের কার্যকর জুটি গড়ে দলীয় স্কোর ১৮০–এর ঘরে নিয়ে যান।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন লকি ফার্গুসন।

৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। এছাড়া জ্যাকব ডাফি, ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র একটি করে উইকেট শিকার করেন।

লক্ষ্য তাড়ায় নিউজিল্যান্ডের শুরুটা সহজ ছিল না। নতুন বলে মুজিব উর রহমান দুই উইকেট তুলে নেন। ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্র দুজনই বোল্ড হন। এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচে আফগানিস্তানকে ভালো অবস্থায় এনে দেন মুজিব।

এরপর ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন টিম সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপস। তৃতীয় উইকেটে তারা গড়েন ৭৪ রানের জুটি। ফিলিপস ২৫ বলে ৪২ রান করে আউট হন। তাকে ফিরিয়ে আফগানিস্তান কিছুটা আশায় ফিরেছিল। তবে সেইফার্ট ছিলেন দারুণ ছন্দে। নবীর এক ওভারে ছক্কা ও চার মেরে তিনি পৌঁছান ফিফটিতে। ওই ওভারেই আউট হন তিনি। ৬৫ রান করে ফেরেন এই ব্যাটসম্যান।

শেষ দিকে মিচেল ও মার্ক চ্যাপম্যান শান্ত মাথায় ম্যাচ শেষ করেন। শেষ পাঁচ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩২ রান। কোনো চাপ ছাড়াই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড।

Home R3