Home » Slide » চালের বাজারে আমদানির প্রভাব নেই

চালের বাজারে আমদানির প্রভাব নেই

অর্থনীতি ডেস্ক:

বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের চাল। সরকার থেকে শুল্ক রেওয়াতের সুবিধা নিয়ে ব্যবসায়ীরা চাল আমদানি করলে খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। ক্রেতাদের বেশি দাম দিয়েই চাল কিনতে হচ্ছে। এর পেছনে আমদানিকারক ও মিলারদের সিন্ডেকেটকে দায়ী করলেন বিক্রেতারা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, চালের পাশাপাশি চড়া বিক্রি হচ্ছে ভোজ্য তেলও। আর সবজির বাজার স্বস্তি দিলেও দাম বেড়েছে সব ধরনের মুরগির মাংসের।

আমনের ভরা মৌসুমেও যখন ঊর্ধ্বমুখি চালের বাজার, তখন এর লাগাম টেনে ধরতে চাল আমদানির সিদ্ধান্তের কথা জানায় সরকার। সরকার আমদানির ওপর শুল্ক কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।  এরই মধ্যে বাজারে চলে এসেছে আমদানি করা চালও। তবে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বাজারে। বিক্রেতারা বলছেন, আমদানির ঘোষণায় যে চালের দাম কমেছিল, তা আবারও বেড়েছে।

কারওয়ান বাজারের একজন চালবিক্রেতা জানালেন, চাল আমাদানির পর প্রথমদিকে কিছুটা কমেছিল। কেজিতে তিন টাকা কমে এখন আবার চার টাকা বেড়েছে।

একই দোকানে চাল কিনতে আসা এক ক্রেতা জানালেন, চালের দাম আগের তুলনায় বেড়েছে। ধারণা করেছিলাম, বিদেশ থেকে আমদানির পর চালের দাম কমবে। এখন দেখি বাড়ছে। এ বিষয়ে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।

অপর এক ব্যবসায়ী জানান, আমদানি করা চালের দাম বেশি হওয়ায় আমাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এমনকি এখন দেশি চালও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক থেকে দুই টাকা বেড়েছে মিনিকেটের দাম। পাশাপাশি মোটা চালের দামও বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোজ্যতেলের দামও বেশ চড়া। বিক্রেতারা জানালেন, মাঝে ভোজ্য তেলের দাম কিছুটা কমলেও আবারও বেড়েছে খোলা সয়াবিনের দাম।

তবে সরবরাহ বেশি থাকায় স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজার। বেড়েছে সব ধরনের মুরগির দাম। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায় আর ৩০ টাকা বেড়ে পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়।

তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে সবজির দাম। কমে এসেছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। নতুন আলু ২০ টাকায় আর নতুন পেঁয়াজের দাম ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

 

 

বাংলার কথা/শাকিল আহমেদ